আধুনিক প্রকাশনী ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলা ভাষা ভাষী জন সংখ্যার মধ্যে ইসলাম প্রচারে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে।
Copyright©2025আধুনিক প্রকাশনী - all rights reserved. Technical support by LiberalSoft
ব্লগ এর বিস্তারিত
by Admin
2024-11-09
কারো অনুপস্থিতে তার দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করাকেই গিবত বলে। যদিও সেটি বাস্তব ও সত্য হয়। আর যদি অবাস্তব ও মিথ্যা হয় তাহলে তো আরো মারাত্মক গুনাহ হবে। যাকে তুহমত বা অপবাদ বলা হয়। আর আমাদের সমাজে বিভিন্ন রকম কলহ-বিবাদ ও যাবতীয় অশান্তির একটি অন্যতম কারণ হলো-একজনের দোষ-ত্রুটি অন্যজনের কাছে বলা। অথচ এটি একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ। আর একটি কবিরা গুনাহই কাউকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করার জন্য যথেষ্ট। গিবত করার দ্বারা অপরের হক নষ্ট হয়। কুরআন ও হাদিসে এই গিবতের অপকারিতা সম্পর্কে বার বার সতর্ক করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা গিবতের অনিষ্টতা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন-‘তোমরা পরস্পর দোষ অনুসন্ধান করো না। তোমাদের একজন অপরজনের যেন গিবত না করে। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো তা অপছন্দই করবে। আর তোমরা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তওবা কবুলকারী ও পরম দয়ালু।’ (সূরা হুজুরাত, আয়াত-১২) কিয়ামতের ময়দানে প্রত্যেকটি বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হিসাব দেবে। অণু পরিমাণ কাজকর্মেরও হিসাব দিতে হবে। সেদিন গিবতকারীর জিহ্বাও কোনোরূপ ছাড় পাবে না। মহানবী সা: বলেন, ‘মিরাজ রজনীতে আমি একদল লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। যাদের নখগুলো ছিল তামার। আর তারা সেই তামার নখ দ্বারা তাদের স্বীয় চেহারা ও বুক আঁচড়াচ্ছে। আমি জিবরাইল আ:-কে জিজ্ঞাসা করলাম, এরা কারা? তখন হজরত জিবরাইল আ: বললেন, এরা সেসব লোক যারা তাদের ভাইদের মানসম্মানের ওপর আঘাত করত। অর্থাৎ তারা তাদের ভাইদের পেছনে বদনাম (গিবত) করত।’ (আবু দাউদ শরিফ)